admin
- ৬ অক্টোবর, ২০২৬ / ৩৫ Time View

এলাকাবাসী বলেন, গলায় ফাঁস নেওয়া ঝুলন্ত লাশ এবং বিষপানে আত্মহত্যা করা লাশও ময়নাতদন্ত ছাড়া এই ওসি দাফন করতে দেননা। হত্যার সন্দেহ থাকলেও সুমাইয়া খাতুনের লাশ ২ দিন থানায় রেখে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করতে কিভাবে দিলো সাঁথিয়া থানা পুলিশ।
Reading Time: < 1 minute
ফারুক হোসেন,সাঁথিয়া,পাবনা :
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদ পুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন(১৩) এর লাশ ২ আগষ্ট রবিবার সকাল ১০ টায় সাঁথিয়া থানা পুলিশ তার নিজ বাড়ির ঘর থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। হত্যার সন্দেহ থাকলেও রহস্যজনক ভাবে ময়নাতদন্ত ছাড়াই ৩ আগষ্ট সকালে পরিবারের কাছে সুমাইয়ার লাশ হস্তান্তর করেন।
প্রায় ২ মাসের অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদ পুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন চাটমোহর উপজেলার এক ছেলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমে জড়িয়ে পরে।সুমাইয়া প্রেমের টানে ১ আগষ্ট চাটমোহর সেই ছেলের বাড়িতে চলে যায়।পরিবারের লোকজন সুমাইয়াকে বুঝিয়ে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন।বাড়িতে নিয়ে এসে সারারাত সুমাইয়াকে মারপিট করেন তার পরিবারের লোকজন।২ আগষ্ট সকাল ১০ টায় ঘরের মধ্যে থেকে সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাঁথিয়া থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।২ আগষ্ট সকাল ১০ টা থেকে ৩ আগষ্ট সকাল ১০ টা পর্যন্ত লাশ নিয়ে চলে দরকষাকষি পুলিশের সাথে পরিবারের লোকজনের। দরকষাকষির এক পর্যায়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে সুমাইয়ার লাশ হস্তান্তর করেন সাঁথিয়া থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী বলেন, গলায় ফাঁস নেওয়া ঝুলন্ত লাশ এবং বিষপানে আত্মহত্যা করা লাশও ময়নাতদন্ত ছাড়া এই ওসি দাফন করতে দেননা। হত্যার সন্দেহ থাকলেও সুমাইয়া খাতুনের লাশ ২ দিন থানায় রেখে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করতে কিভাবে দিলো সাঁথিয়া থানা পুলিশ।এব্যাপারে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।
সাঁথিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, সুমাইয়া খাতুনের বাবার আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ দিয়ে দেওয়া হয়
Post Views: 40